সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ফেসবুক এবং টুইটারের মাধ্যমে ভুল তথ্য এবং ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব ছড়িয়ে পড়ছে। এক গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ফেসবুক এবং টুইটারের মাধ্যমে ভুল তথ্য এবং ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব ছড়িয়ে পড়ছে। এক গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যে ব্যাপারগুলো মানুষের নিজ মতের সঙ্গে মিলে যায় সেই বিষয়গুলোকে সত্যি বলে ধরে নিয়ে তারা শেয়ার করেন এবং তারা খতিয়ে দেখে না যে বিষয়টি আদৌ সত্যি কি না। ব্যবহারকারীদের এমন আচরণের কারণেই ফেসবুক ও টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ভুল তথ্য এবং ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব সহজে ছড়িয়ে পড়ছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, মানুষের তথ্য বিশ্বাসের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট একটি ‘ইকো চেম্বার’ কাজ করে। ‘ইকো চেম্বার’-এর উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মানুষ যে রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করে, সেই রাজনৈতিক দলের দেওয়া ভুল তথ্যও তারা বিশ্বাস করে নেয় কোনো প্রশ্ন না করেই। কিন্তু যে দলকে সমর্থন করে না, তাদের দেওয়া সঠিক তথ্যও সহজে বিশ্বাস করে না। আর যে তথ্য বিশ্বাস করেন, সেগুলোই শেয়ার করেন ব্যবহারকারীরা।
গবেষকরা আশা করছেন, যারা নির্ভূল তথ্য শেয়ারে আগ্রহী তাদেরকে এই গবেষণার ফলাফল সাহায্য করবে। এ ছাড়াও গবেষণাটি নির্ভুলভাবে তথ্য শেয়ারের নতুন পথ বের করতে সহযোগিতা করবে। ফেসবুক এবং টুইটার ভুল তথ্য বিস্তারে সাহায্য করে

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন